Holding no-77/12, Khola para, Noser market, Post: Konabari 1346, P.S: Konabari Gazipurcity Bangladesh.

WhatsApp:

+8801726129520

Actual Garments BD Ltd.

  • Home
  • About Us
  • Company Profile
  • Photo Gallery
  • Contact Us

পোশাক কারখানা পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে আর্থিক সহায়তা চাইল বিজিএমইএ

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের সংকট মোকাবিলাসহ রপ্তানি সচল রাখতে সরকারের কাছ থেকে নীতিগত ও জরুরি আর্থিক সহায়তা চাইল বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

আজ মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক করেছে বিজিএমইএর একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে এসব সহায়তা চান বিজিএমইএর নেতারা। বৈঠকে সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, মিজানুর রহমান ও পরিচালক ফয়সাল সামাদ।

বৈঠকে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল বলে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও নানা প্রতিকূলতায় তৈরি পোশাকশিল্প ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এই তিন মাসে ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি গড়ে ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত এক বছরে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, পণ্যের মূল্য ও ক্রয়াদেশ কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরও অনেক কারখানা বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, সরকারি ছুটি এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে কর্মদিবসের সংখ্যা অনেক কমে আসবে।

বিজিএমইএ আরও বলছে, ৬০ দিনের মধ্যে কারখানা মাত্র ৩৫ দিন খোলা থাকলেও মার্চ মাসে নিয়মিত বেতনের পাশাপাশি বোনাস এবং অগ্রিম বেতন মিলিয়ে কারখানাগুলোকে প্রায় দ্বিগুণ মজুরি পরিশোধ করতে হবে। এতে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) প্রতিষ্ঠানগুলো। এ পরিস্থিতিতে সঠিক সময়ে ব্যাংকিং সহায়তা না পেলে এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের মজুরি ও উৎসব ভাতা পরিশোধ করা এবং উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব হবে না। এতে শিল্পে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে; যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর।

বৈঠকে বিজিএমইএ নেতারা বলেন, লিয়েন ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রক্রিয়াধীন বকেয়া নগদ সহায়তার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করে অর্থ ছাড় দেওয়া প্রয়োজন। এতে কারখানাগুলোর ক্যাশ-ফ্লোতে স্বস্তি আসবে। এ ছাড়া পাশাপাশি ঈদ ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে ছয় মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ‘সফট লোন’ দেওয়ার অনুরোধ জানান তাঁরা।

Source 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *